সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তুঙ্গভদ্রার তীরে - শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায় প্রশ্ন উত্তর আলোচনা - UGC NET

Bangla UGC NET WB SET পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে আমি সমস্ত উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ন সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর তোমাদের সাথে এক এক করে আলোচনা করছি। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের তুঙ্গভদ্রার তীরে উপন্যাসের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা । আজ আমি Part 1 প্রশ্ন উত্তর দেবো।
তুঙ্গভদ্রার তীরে শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায় প্রশ্ন উত্তর আলোচনা UGC NET


তুঙ্গভদ্রার তীরে - শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায় প্রশ্ন উত্তর আলোচনা - UGC NET

  • তুঙ্গ ভদ্রার তীরে উপন্যাসটির প্রথম সংস্করণ অগ্রাহায়ন ১৩৭২ সালে আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়।
  • বিংশ মুদ্রণ ফাল্গুন ১৪২৩ সালে।
  • তুঙ্গভদ্রার তীরে উপন্যাসটি উৎসর্গ  করা হয় —বাংলা সাহিত্যের বিক্রমশীল ধর্মপাল শ্রী প্রমথনাথ বিশী সুহৃদ বরেষু।।
  • উপন্যাসটি শারদীয় আনন্দবাজার পত্রিকায় ১৩৭২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় ।
  • উপন্যাসের প্রেক্ষাপট বিজয়নগর রাজ্যকে কেন্দ্র করে।

তুঙ্গাভদ্রার তীরে শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায় আলোচনা:

  • "তুঙ্গভদ্রার তীরে" উপন্যাসটি কাহিনীর ঐতিহাসিক পটভূমিকা, Robert Sewell এর "A Forgotten Empire" এবং কয়েকটি সমসাময়িক পান্থলিপি থেকে সংগৃহীত। 
  • Sewell গ্রন্থ গুলি ৬৫ বছরের পুরাতন।
  •  ডঃ রমেশ চন্দ্র মজুমদারের সম্পাদিত গ্রন্থ "The Delhi Sultanate" পাঠ করে Sewell তথ্য গুলি শরবিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়েছেন।
  •  ঐতিহাসিক চরিত্র থাকলেও কাহিনী মৌলিক, ঘটনাকাল ১৪৩০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে। 

তুঙ্গাভদ্রার তীরে শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায় pdf 

  • উপন্যাসের ভূমিকায় সুলতান ইলতুৎমিস, বাবর, অমর সিংহ এবং চাণক্যের উল্লেখ আছে।
  • ঔপন্যাসিক ৬ ফুটে এক দন্ড, কুড়ি গজে এক রজ্জু এবং দু মাইলে এক ক্রোশ ধরেছেন ।
  • "আমার কাহিনী Fictionised History নয় হিস্টরিক্যাল ফিকশন"— লেখক শরবিন্দু  বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন।
  • "ঐতিহাসিক গল্প লেখার প্রেরণা পাই বঙ্কিমচন্দ্র পড়ে, বঙ্কিমচন্দ্রের কাছ থেকে শিখেছি ভাষার মধ্যেই বাতাবরণ সৃষ্টি করা যায় – বিশেষ করে ঐতিহাসিক বাতাবরণ " —বলেছেন শরবিন্দু বন্দোপাধ্যায়।
  •  সঙ্গম থেকে বিজয়নগরের দূরত্ব ৭০ ক্রোশ।
  •  উপন্যাসের কাহিনী আরম্ভ যে মাসে সে মাস হল বৈশাখ ।

  • কাহিনীতে যত শতাব্দীর উল্লেখ আছে তা হলো ১৩৫২ শতাব্দ। 
  • কলিঙ্গদেশের প্রধান বন্দরের নাম কি?— কলিঙ্গ পত্তন ।
  • নৌকা তিনটির যাত্রা কবে থেকে শুরু হয়েছিল?— তিন মাস আগে থেকে।
  • প্রধান নৌকাটির নাম —ময়ূরপঙ্খী ,তার বহিরঙ্গ ময়ূরের ন্যায় নীল সবুজ রঙে চিত্রিত।
  •  দ্বিতীয় নৌকাটির নাম —মকর মুখী ।ধূসর বর্ণের। এই নৌকায় ৩০ জন যোদ্ধা আছে। 
  • শেষের নৌকাটির নাম —ভড় ।বিবিধ তৈজস আবশ্যক বস্তু খাদ্য সম্ভারে পূর্ণ। ভড়ের পিছনে শূন্য ডিঙি। 
  • এক নৌকা থেকে অন্য নৌকায় যাতায়াত করার জন্য এটি ভড়ের সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা।
  • বিজয়নগর রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হরিহর ও বুক্ক।
  •  হরিহর ও বুক্ক সঙ্গম বংশের বংশধর ছিল।
  • যে সুলতান এই দুই ভাইকে জোর করে মুসলমান করেছিলেন তার নাম —মহম্মদ তুঘলক।
  •  হরিহর ও বুক্ক পালিয়ে যে মাঠে আশ্রয় নিয়েছিল সেটি হল– শংকর মঠ।
  •  যে সন্ন্যাসী হরিহর ও বুক্ক কে হিন্দু ধর্মে পুনদীক্ষিত করেছিলেন তার নাম —বিদ্যারন্ন।

  1. বিজয় নগরের আদি নাম বিদ্যানগর ।
  2. বহমনি রাজ্য কৃষ্ণা নদীর উত্তর তীরে।
  3.  তুরস্ক থেকে ধানুকী সৈন্য আনয়ন ও যুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রচলন প্রথম দেবরায় করেন।
  4.  দেবরায় দের পুত্রদের নাম রামচন্দ্র ও বিজয় রায়।
  5.  প্রথম দেবরায় ৫০ বছর রাজ্য শাসন করেন ।
  6. দ্বিতীয় দেবরায়ের বর্তমান বয়স 35 বছর
  7. দেবরায় এক একটি করে বিবাহ করিতে আরম্ভ করিলেন কারণ মুসলমান শক্তিকে পরাস্ত করার জন্য হিন্দুদের সঙ্গবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। কুটুম্বিতা যা সহজে করতে পারে।
  8.  চতুর্থ ভানু দেব বিজয়নগরের যে মিত্র দেশ আক্রমণ করেন তার নাম অন্ধ্রপ্রদেশ।
  9.  দেবরায় বিয়ে করতে শ্বশুর গৃহ যেতে পারবেনা কন্যাকেই বিজয়নগরে এসে বিবাহ সম্পন্ন করতে হবে। কারণ তৎকালে রাজাদের নিজে রাজ্য ছাড়িয়া বহু দূরে যাওয়া নিরাপদ ছিল না, চারিদিকে শত্রু ওত পাতিয়া আছে ।সিংহাসন শুন্য দেখলে  ঝাঁপিয়া পড়িবে।
  10.  কন্যা কর্তা রূপে এসেছেন মাতুল চিপিটক মূর্তি।
  11.  মন্দোদরী বারবার যা উচ্চারণ করত সেটি ছিল নমঃ দারুব্রহ্ম।
  12.  মন্দোদরী ওড্র দেশের মেয়ে।
  13. বলরাম মহারাজের কাছে চেয়েছিল ভস্রা।
  14. অর্জুন বর্মার পিতা এগারো দিন আগে মারা যান। 
  15. যৌবনের মনঃপীড়া বড় তীব্র হয়, কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হয় না কারণ ক্ষত শীঘ্র শুকায় এবং তরিৎ নিশ্চিহ্ন হইয়া যায়।
  16. সংকেত গুহায় যে যে নাম খোদিত ছিল সেটি হল রত্নমালা দেবদত্ত এবং চন্দ্রচূড় বল্লভা।
  17. সংকেত গুহা থেকে কিছু দূরে কমলা সরোবর।
  18. মঞ্জিরা আট বছর ধরে রাজপুরীতে থাকে।
  19. বলরাম ও অর্জুনের পাহারা দিয়েছিল এমন একজন হলেন চতুর্ভুজ নায়ক। 
  20. বলরাম অর্জুনের পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত হয়েছিল তিনজন। 

Bangla UGC NET - Tungabhadrar Tire Uponyash - তুঙ্গভদ্রার তীরে উপন্যাসের প্রশ্ন উত্তর:


  • মঞ্জুরা কথার অর্থ বাঁশি।
  • "নিন্দতি চন্দনমিন্দুকিরণমনুবিন্দতি খেদধীরম"— গানটি কর্নাট রাগ এবং জ্যোতি তাল।
  • মহারাজা দেবরায় সৈন্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন কৃষ্ণপক্ষের দশমী তিথি।
  • বলরাম মাসে তিনটি কামান বানাতে পারবে বলেছিল। 
  • কুমার কম্পন দেবের বাড়িতে ১২ জন অতিথি এসেছিলেন ।
  • সবার প্রথমে কম্পন দেব জীমৃতবাহন কে হত্যা করেন।
  • কম্পনদেব দ্বিতীয়বার কুমারাপ্পাকে হত্যা করেন। মঞ্জিরা বাপের বাড়ি যেতে সুভদ্রা খাবার নিয়ে এসেছিল।
  • দাদার অসুস্থ্যের জন্য মঞ্জীরা বাপের বাড়ি গিয়েছিল।
  • মঞ্জিরার বাবা বীরভদ্র হাতিশালে কাজ করত।
  • মোড়ল চিপিটককে ছাগল চড়ানোর কাজ দিয়েছিল ।
  • অর্জুন ও বলরাম বিজয়নগরের পশ্চিম সীমান্তে যাত্রা করেছিল।
  • অর্জুন ও বলরাম বিশ্রামের জন্য প্রথম একটি দেবালয়ে স্থান নিল। 
  • গুহামুখে প্রস্তর ফলকে যে দেবদাসীর নাম লেখা ছিল সেটি হল —তনুশ্রী।
  • দেবদাসী তনুশ্রী মিনকেতুকে ভালোবেসেছিল।
  • রাজধানীতে ৩০ হাজার সৈন্য আছে। 
  • রাজধানী রক্ষার জন্য নগরপাল নরসিংহ মল্লের অধীনে 10000 সৈন্য ছিল। 
  • মহারাজ দেবরায় ২ হাজার সৈন্য পশ্চিম সীমান্তে রেখে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন।
  • রাজগুরু বিবাহের দিন ঠিক করেছিলেন শুক্লা ত্রয়োদশীতে।
  • রাজার কথা অনুযায়ী বিদ্যুন্মালার নাম হল মণিক অঙ্কনা এবং মণিকঙ্গনার নাম হলো বিদ্যুন্মালা। 
  • অর্জুন বর্মাকে রাজা তুরঙ্গ বাহিনীর সেনানি নিযুক্ত করেছিলেন।
  • বলরাম কে করেন প্রধান রাজকর্মকার।
  • প্রথম দেবরায়ের পুত্র বিজয় রায়।
  • বিজয়রায়ের পুত্র দ্বিতীয় দেবরায়।
  • দ্বিতীয় দেবরায় পুত্র  মল্লিকার্জুন।
  • চতুর্থ ভানু দেবের পুত্রী বিদ্যুন্মালা।
  • রাজবর্মার ছেলে অর্জুন বর্মা।
  • বীরভদ্রের মেয়ে মঞ্জিরা।
  • রুক্মিণী দেবীর কন্যা বিদ্যুন্মালা।
  • চম্পা দেবীর কন্যা মনিকঙ্কনা।
  • প্রথমা স্ত্রী পদ্যালয়া।
  • দ্বিতীয়া স্ত্রী শংকটা।
  • তৃতীয় স্ত্রী বিলোলা।
  • কনিষ্ঠা স্ত্রী মনিকঙ্কনা।
  • অর্জুন বর্মাকে জল থেকে উদ্ধার প্রথম পর্ব( চতুর্থ পরিচ্ছেদ)।
  • অকস্মাৎ ঝড় প্রথম পর্ব (৯ম পরিচ্ছেদ)।
  • রানীদের সহিত মনিকঙ্কনার আলাপ দ্বিতীয় পর্ব (অষ্টম পরিচ্ছেদ)।
  • বামনদেব দৈবজ্ঞ প্রসঙ্গ দ্বিতীয় পর্ব (নবম পরিচ্ছেদ)।
  • অর্জুন বর্মার প্রথম দৌতকার্য তৃতীয় পর্ব (প্রথম পরিচ্ছেদ)।
  • হুক্কুবুক্ক দর্শন প্রসঙ্গ তৃতীয় পর্বঃ (তৃতীয় অধ্যায়)।
  • অর্জুনের প্রতি বিদ্যুন্মালার প্রেম নিবেদন তৃতীয় পর্ব (চতুর্থ অধ্যায়)।
  • রাজার প্রতি কুমার কম্পন কর্তৃক আক্রমণ ও কম্পন দেবের মৃত্যু তৃতীয় পর্ব (ষষ্ঠ অধ্যায়)।
  • শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় তুঙ্গ ভদ্রার তীরে উপন্যাসের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছিলেন 1967 খ্রিস্টাব্দে।
  • তুঙ্গভদ্রার তীরে উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হল—"চিপিটক আকাশের পানে চোখ তুলিয়া দীর্ঘশ্বাস ফেললেন"।
  • প্রথম পর্বে ১১টি পরিচ্ছেদ আছে।
  • দ্বিতীয় পর্বে নটি পরিচ্ছেদ।
  • তৃতীয় পর্বে ছটি পরিচ্ছেদ।
  • চতুর্থ পর্বে ৮টি পরিচ্ছেদ।

Disclaimer:

কোনো রকম প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে। প্রতিটি অধ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহকারে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে মন দিয়ে পড়তে হবে।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হুতোম প্যাঁচার নকশা প্রশ্ন উত্তর (Part 1) | UGC NET Bangla Unit 4 Notes 2026

হুতোম প্যাঁচার নকশা প্রশ্ন উত্তর (Part 1) | UGC NET Bangla Unit 4 প্রস্তুতি নমস্কার বন্ধুরা, আশা করি তোমরা সকলেই ভালো আছো। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমরা UGC NET Bangla Unit 4 -এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে আমরা কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত "হুতোম প্যাঁচার নকশা" উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (Part 1) বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো। এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক রচনা, যেখানে তৎকালীন সমাজব্যবস্থার নানা দিক অত্যন্ত কৌতুকপূর্ণ ও সমালোচনামূলকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। UGC NET Bangla Unit 4: হুতোম প্যাঁচার নকশা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর (Part 1) আরও পড়ুন: ঈশ্বর গুপ্তের বড়দিন কবিতার প্রশ্ন উত্তর 📌 হুতোম প্যাঁচার নকশা: সংক্ষিপ্ত পরিচিতি রচয়িতা: কালীপ্রসন্ন সিংহ প্রথম প্রকাশ: ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দ রচনার ধরন: ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা উৎসর্গ: মুলুক চাঁদ শর্মা এই গ্রন্থে উনিশ শতকের কলকাতার সমাজজীবন, কুসংস্কার, ভণ্ডামি এবং নবজাগরণের প্রভাব অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। 📌 সমাজের যেসব শ্রেণীকে বি...

SBI নিয়োগ ২০২৬ 🔥 ১৮,০০০+ শূন্যপদ | Clerk, PO, Officer Job Update

📢 SBI Recruitment 2026-27: ১৮,০০০+ শূন্যপদে বিশাল নিয়োগ | Clerk, PO & Officer Jobs Full Details আপনি যদি সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাহলে আপনার জন্য একটি অসাধারণ সুযোগ আসছে। দেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক সেক্টর ব্যাংক State Bank of India (SBI) ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ১৮,০০০+ শূন্যপদে নিয়োগ করতে চলেছে। এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়াটি গত কয়েক বছরের মধ্যে অন্যতম বড় নিয়োগ হিসেবে ধরা হচ্ছে। SBI Recruitment 2026: ১৮,০০০+ শূন্যপদে Clerk, PO ও Officer পদে নিয়োগ এই নিয়োগে Clerk (Junior Associate), Probationary Officer (PO) এবং বিভিন্ন অফিসার পদে নিয়োগ করা হবে। যারা ব্যাংকিং সেক্টরে একটি স্থায়ী এবং সম্মানজনক ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি একটি golden opportunity। বর্তমান সময়ে Banking sector-এ চাকরির চাহিদা অনেক বেশি এবং SBI-এর মতো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া মানে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ। তাই এই সুযোগ হাতছাড়া না করে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 📊 SBI Recruitment 2026 Overview Organization Name: State Bank of India (SBI) Total Vacancy: ১৮,০০০+ Post Name: Cle...